
ছোটবেলায় আমাদের পাড়ায় দূর্গাপুজোই মেন উৎসব ছিল, পরবর্তীকালে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হওয়ার ফলে দূর্গাপুজো ম্লান হয়ে গেছে। আমাদের পাড়ায় আমাদের বয়সী ছেলের সংখ্যা প্রচুর, সে তুলনায় মেয়ে নেই। এ দুঃখ আমাদের ছোট থেকেই। যাই হোক, দূর্গাপুজোর সময়ে আমাদের খেলা বলতে ছিল ক্যাপ ফাটানো আর ক্রিকেট। প্রচুর শান বাঁধানো জায়গা আছে, সেখানেই কুড়ি-বাইশজন মিলে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলতাম পুজোর পাঁচদিন। প্লাস্টিকের বলে খেলা হত। এইবার কি হয়েছে পাড়ায় যে কজন সমবয়সী বা একটু ছোট মেয়ে ছিল, তাদের মধ্যে একজনের ওপর আমার যা তা ক্রাশ ছিল। মেয়েটা খুব সুন্দরী, বরাবরই। তাই পাড়ার ছেলেরা স্বাভাবিকভাবেই হেঁ হেঁ করত। মেয়েটা যেহেতু আমার পাশের বাড়িতে একসময় ভাড়া থাকত, আমি ক্লাস টু থেকে হাঁ করে দেখতাম। মেয়েটা নিজের মনে খেলা করত আর আমাকে দেখে লজ্জা পেয়ে পালিয়ে যেত। আমাদের সময়ে এরকম লজ্জা পেতে হত, আসলে তখন একটা সিস্টেম ছিল :3 যাইহোক, ক্রিকেট খেলার সময় যদি দূর থেকে যদি দেখতাম মেয়েটা আসছে আলাদাই শক্তি চলে আসত। ইম্প্রেশন ক্রিয়েটের একটা ব্যপার থাকে, কোনও ছেলেই অস্বীকার করতে পারবে না 😑 যাই হোক, এরকম একদিন পুজোর মধ্যে খেলছি, দূর থেকে দেখি মেয়েটা ওর মায়ের সাথে আসছে। আমি আবার ব্যাট করছিলাম। আলাদাই উত্তেজনা শুরু হয়ে গেল। মেয়েটা মায়ের সাথে তখন খেলার জায়গাটা ক্রস করছে, আর আমি একটা লোপ্পা বল পেলাম৷ ব্যস, এই সুযোগ আর কেউ ছাড়ে? গাঁতিয়ে মারলাম আর পঁয়ত্রিশ গ্রামের প্লাস্টিকের বল হাওয়া কেটে গিয়ে মেয়েটার মায়ের গালে লেগে স্পট ফেলে দিলো 🙂 কি করতে গেলাম আর কি হয়ে গেলো ;_; মেয়েটা আমার দিকে এমনভাবে তাকিয়েছিল যেন ভস্ম করে দেবে। সেই থেকে আর কোনওদিন রিস্ক নিইনি 🙂🌹
Comments
Post a Comment
Thank you, Stay connected & subscribe to this blog...