Posts
- Get link
- X
- Other Apps
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
- Get link
- X
- Other Apps
সমুদ্রের জল কী একটি মিশ্র পদার্থ ??সমুদ্রের জলের উপাদান সংকেত ..2.জল কেন এবং কিভাবে ভয়ানক বিদ্যুৎ পরিবাহী? 3.সমুদ্রের জল লবণাক্ত হয় কেন? এবং নদীতে সেই একই জল মিঠা হয় কেন?4.প্রতি সেকেন্ডে 10 লিটার জল 10 মিটার উপরে তােলার জন্য অন্তত কত ক্ষমতার পাম্প দরকার?
সমুদ্রের জল কী একটি মিশ্র পদার্থ ??সমুদ্রের জলের উপাদান সংকেত ..2.জল কেন এবং কিভাবে ভয়ানক বিদ্যুৎ পরিবাহী? 3.সমুদ্রের জল লবণাক্ত হয় কেন? এবং নদীতে সেই একই জল মিঠা হয় কেন?4.প্রতি সেকেন্ডে 10 লিটার জল 10 মিটার উপরে তােলার জন্য অন্তত কত ক্ষমতার পাম্প দরকার?
- Get link
- X
- Other Apps
Science
Popular Posts
নীল নদে ভরত পাখি
নীল নদে ভরত পাখি #আশীষ কুণ্ডু নীল নদে নেমে আসছে ভরত পাখি বহুদূর পাড়ি দিয়ে একটু উষ্ণতার খোঁজে! মিহি বালির আঁচল পাতা জল ছল করে, পাড় ভাঙে, কুমির সিংহের স্বপ্ন দেখে ছটফট করে বিভঙ্গে - শেয়াল শকুন চিল - সাহারা রাটল স্নেক- হিংসা বিদ্বেষ ধ্বংস দূষণ- পৃথিবী নীলকণ্ঠ, কান্নার শব্দ রানাররা হারিয়ে গেছে লুজাররা শুধু জীবনের মানেখোঁজে গান শোনে, ইমোশনাল ফুল! দুপুরের ভাতঘুম ভেঙ্গে কুমির চেয়ে থাকে আকাশের দিকে পরিযায়ী পাখিটার অপেক্ষায়।
জীবন যখন যেমন!
জীবন যখন যেমন! # আশীষ কুণ্ডু এই সুন্দর পৃথিবীটা এমন ভয়াবহ হয়ে যাবে কে জানতো! অয়শ ও ভাবেনি!অর্থ বরাবর- ই একটা সমস্যা অয়শের কাছে। তবু টেনেহিঁচড়ে সংসারটা চলছিলো। এখন তো বেরোনোই বন্ধ প্রায়। কাজকর্ম শিকেয় উঠেছে। টিউশনিটাই ভরসা। অথচ মুখে হাসি ফুটিয়ে রাখতে হবে। অন্ততঃ পক্ষে আজকের দিনটায়। এইদিনটা তো বছরে একদিনই আসে। আজ 25 আগষ্ট সুমনার জন্মদিন। বৌয়ের জন্মদিনে মুখ ব্যাজার করে রাখার সাহস আর ক'জনের হয়। অয়শ তো এমনিতেই নরমপন্থী, তাই বুকের কষ্ট আর পকেটের হাল চেপে, সকালেই মেয়ের সঙ্গে ফর্দ বানাতে বসলো। " মাছটা এনো, জন্মদিনে মাছ আর পায়েস, এই তো যথেষ্ট, -মাংস-টাংস আনতে হবে না, অযথা ঝামেলা, একগাদা খরচা!" সুমনার প্রবচনে সবে অয়শ একটু স্বস্তি বোধ করছিলো, তখনি প্রতিবাদী মেয়েটা।সুকন্যা মাছ খেতে চায় না মোটেই। বললো-"না বাবা, আমি মাছ খেতে পারবো না, আমায় বরং সেদ্ধ ডিম ভাত দিও। "- অভিমানী মেয়েটা ঠোঁট ফোলায়। মেয়ে অষ্টাদশী, কিন্তু বাবা-মার কাছে ছোটমেয়েই রয়ে গেছে। সুমনা ঝাঁঝিয়ে উঠলো,"ওকে আরো প্রশ্রয় দাও, বাঙালীর মেয়ে মাছ খাবেন না, একেবারে বাপের আস্কারা পেয়ে গোল্লায় যাচ্ছে। আমা...
কেমন আছো আকাশ
কেমন আছো আকাশ # আশীষ কুণ্ডু কেমন আছো বোবা আকাশ? মেঘে আঁকা তোমার মুখোশ রং বদলের খেলার মায়া সমুদ্র নীলের তোমার ছায়া গভীরে দেখি বেদনা অনন্ত তোমার বিবশ উদাসী দিগন্ত! কেমন আছো রাতের আকাশ ? আঁধার বুনে তোমার প্রকাশ জরি সামিয়ানা রাতের ছাতে ছায়া পড়ে এক পূর্ণিমা রাতে আমারো সেই সন্ধ্যায়-জোৎস্না এসেছিলো সে- নীল হাৎস্নুহানা! কেমন আছো মনের আকাশ? সওয়াল করে বুকের বাতাস রাতের আঁধার, দিনের আলো! আমি বলি,"ওই মন্দের ভালো!" অপেক্ষা করি পূবের আকাশ আসবে ফিরে সে ,-শরতমাস।
আমরা হলাম নগন্য মানুষ, এতটাই নগণ্য, যে কারোর আমাদের কথা ভাবার সময় নেই।
আমরা হলাম নগন্য মানুষ, এতটাই নগণ্য, যে কারোর আমাদের কথা ভাবার সময় নেই। আর ভাববেই বা কেন আমরা দিন আনি দিন খাই, আমাদের শিক্ষা নেই ,অর্থ নেই, সেজন্য আমাদের ও মূল্য নেই ।। আমরা অমূল্য শুধু একটি বিশেষ সময়ের আগে, কারণ তার একটা বিষয়তো আমরাই হয়ে থাকি । আমরা দেখি,সেই বিশেষ অনুষ্ঠানটি চলে গেলে আমরা পুনরায় অ-মূল্য হয়ে পড়ি; হ্যাঁ আমাদের কথা যে কেউ বলেনা ,এমনটা নয় অনেকেই বলেন কিন্তু হয়ত পর্যাপ্ত নয় । অথবা তাদের কথা গন্ডারের চামড়া ভেদ করতে পারে না ; তাই তারাও একসময় বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে পরে; আর আমরা? আমরা সেই যা তাই থেকে যাই অন্ধকারে উপেক্ষিত অবহেলিত হয়ে যুগের পর যুগ ।। (চিন্ময় সরকার)
।। বৃত্ত টা কিন্তুু ছোটো হয়ে আসছে, আপনি সুরক্ষিত তো? ।।
।। বৃত্ত টা কিন্তুু ছোটো হয়ে আসছে, আপনি সুরক্ষিত তো? ।। শুরুটা হয়েছিল সেই ২০০৬ সালে। তখন পশ্চিমবঙ্গে আসতে শুরু করেছে বড়ো বড়ো বহুজাতিক সংস্থাগুলো, গমগম করছে সল্টলেক-এর বিভিন্ন সেক্টর, তিলধারণের জায়গা নেই দুপুরের লাঞ্চব্রেকে সেক্টর৫-এর রাস্তাঘাটে। রাজারহাট আস্তে আস্তে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, দেশের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ পরিকল্পিত শহর। ঠিক সেই সময়ে, দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন ফেলল, টাটা মোটরসের ১ লাখ টাকার গাড়ির খবর। এবং সবাই জানতে পারল, পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুরে তৈরি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে কমদামি গাড়ি। কিন্তুু, স্বপ্ন সত্যি হল না, রাজনৈতিক ফায়দা লোটার লড়াইয়ে স্বপ্ন অস্তমিত হল অচিরেই। আপনি ভাবলেন, "আমি তো সিঙ্গুরে থাকি না, যাক গে, অত শত ভেবে লাভ নেই, আমার সরকারি চাকরি। কারখানা হল কি না-হল, তাতে কী এসে গেল আর আমার।" ক্ষতিটা কি শুধুই সিঙ্গুরের হল? আপনি কিন্তুু তাই মনে করলেন! ২০০৬-এ আপনার ছেলের বয়স ছিল ১৩, এখন সে ২৭। হায়দরাবাদে থাকে ২০১৫ থেকে। আইটি নিয়ে বি.টেক করে চাকরিটা আর কলকাতায় জুটল না, ছেলে প্রবাসী হল। ২০১৬-য় একদিন সন্ধ্যাবেলা গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠল। অফিস থেকে ফ...
ধসা বামুন
ধসা বামুন পাঁচকড়ি মিশ্রকে লোকে কডে বামুন বলত । ওর অনেক বিষয় সম্পত্তি । অনেক জজমান আর অনেক শিষ্য । পুরো পায়রাটাঙ্গী জুড়েই তার জজমান ।তা প্রায় ২০০/৩০০ ঘর । আর ছিল আকব্বরী খালের ধারে বিঘা বিঘা উর্বর জমি । ভুতোদাদুরা পাঁচভাই কোডে বামুনের জমিগুলি চাষ করত । তারা যখন পৃথক হ’ল, জমিগুলো তেমন আর চাষবাস করতে পারত না । কডে বামুন ভুতোদাদুদের ছাডিয়ে, শেতল মোড়লদের চাষ করতে দিল । শেতল মোড়লরা আট ভাই তখন একান্নবর্তি পরিবার । দিনরাত জমিতে খেটে, সোনার ফসল ফলায় । আমার বন্ধু খেপা আর বুধো মোড়ল ছিল শেতল মোড়লের ভাইপো । তারা বাপ-কাকাদের জন্য মাঠে জলখাবার নিয়ে আসত । পাঁচকড়ি মিশ্র যখন হরিণের চামড়ার জুতো পরে আর সৌখিন ছড়ি দোলাতে দোলাতে মাঠে ফসল দেখতে বেরোত, লোকে বলত, “কড়েবামুনের মন মেজাজ সব সময় ফুরফুরে !” পাঁচকড়ির তিন ছেলে । বড়টির নাম ধসা । ভালো নাম গঙ্গাধর মিশ্র । ছেলেমেয়েদের মুখে বাপের মুখের ছাপ । বর্ণপরিচয়ে “হ” এ হরিণ পড়ানোর সময় মাস্টার মশাই ভোলানাথ চক্রবর্তী বলতেন, “ধসা, হরিণ দেখেছিস ?” ধসা বলত, “না, মাস্টার মশাই !” ⁃ “তোর বাপের জুতো হরিণের চামড়ায় তৈরী । তোকেও একটা কিনে দিতে বলবি !” ⁃...
ছিদ্রান্বেষণ
ছিদ্রান্বেষণ #আশীষ কুণ্ডু সবটা দেখতে চাইলেও আমি দেখতে পাই না আমার বোবাচোখ! শালপাতার মুকুট আমার হারিয়ে গেছে আমি বলতে পারি না অবশমুখ! রাতের তারা খসার শব্দ শুনি আমি শুনতে পাই না উন্নাওয়ের জ্বলন্ত অগ্নিশিখা, বধির কান! উন্নয়ন হচ্ছে শহরের আলোকমেলায় আমি বুঝতে পারি না আমার ছাপোষা মন! বারুদের গন্ধ পাই না ইলেকশনের আগে পরে- আমার বদ্ধ নাক অন্যের ছিদ্রান্বেষণে! আমি পাবলিক রিপাবলিক দেশের।
1.দুইটি পরমাণুর ভর সংখ্যা একই হলেও, নিউট্রন সংখ্যা কম হয় কেন? নিউট্রন কেন আধান নিরপেক্ষ?
1. দুইটি পরমাণুর ভর সংখ্যা একই হলেও, নিউট্রন সংখ্যা আলাদা হয় কেন? কোন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যার ওপর নির্ভর করে পরমাণুর পরিচয়। যদি পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা পরিবর্তিত হয় তবে পরমাণু টি অন্য কোনো মৌল তে পরিবর্তিত হয়। প্রোটন সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক পর্যায় সারণী তৈরি করা হয়েছে। পরমাণুর ভরসংখ্যা হলো পরমাণুর নিক্লিয়াসে থাকা প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল। দুটি আলাদা মৌলের প্রোটন সংখ্যা আলাদা। তাই তাদের ভরসংখ্যা এক হলে নিউট্রন সংখ্যা কমবেশি/আলাদা হবে। ধরি দুটি মৌল A ও B A এর প্রোটন সংখ্যা=x B এর প্রোটন সংখ্যা=y A ও B উভয়ের ভরসংখা= p সুতরাং, A পরমাণুতে মোট নিউট্রন আছে=(p-x) টি। B পরমাণুতে মোট নিউট্রন আছে=(p-y) টি। যেহেতু, x এবং y সমান নয় তাই , (p-x) এবং (p-y) ও সমান হবে না।অর্থাৎ নিউট্রন সংখ্যা সমান হবে না। 2. নিউট্রন কেন আধান নিরপেক্ষ? ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী স্যার জেমস চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আবিষ্কার হওয়ার পর সবাই মনে করেছিল এরাই সেই কাঙ্ক্ষিত মৌলিক কণিকা। কিন্তু ১৯৬৪ সালে বিজ্ঞানী মারে গ্যালমেন বললেন .” বিশ্ববাসী আপনারা ...
আমি বাবলু
#গল্পঅল্প আমি বাবলু ‘বাবলু, এই বাবলু, এই যে এই দিকে, অ্যাই বাবলু, এই দিকে’ ভর দুপুরে বিবেকানন্দ পার্কের সামনের বাস স্টপে দাঁড়িয়ে আছি, একটু ঢাকুরিয়ার দিকে যাব, কাজ আছে, এমন সময় এই ডাক। গরম টা বেশ জাঁকিয়ে পরেছে, রাস্তায় লোকজন বেশি নেই, বাস স্টপে আমি একাই। তরুণী কন্ঠের আওয়াজে চমকে তাকালাম। বাবলু বলে কে কাকে ডাকছে আবার! তাও আবার এই রকম চিৎকার করে, আশে পাশে ত কেউ নেই। আমি তাকিয়ে দেখলাম, উল্টোদিকের রাস্তায় এক তরুণী নারী বাসের জানলা দিয়ে হাত বার করে আমার দিকেই কাউকে ডাকছে, উত্তেজনায় তার মুখের অনেকটা বাসের জানলা দিয়ে বিপজ্জনক ভাবে বেড়িয়ে এসেছে। মুখটা ভাল করে দেখা গেল না, তবে ঘামে ভিজে, কপালের টিপটা এখন আর মাঝখানে নেই, ঘাম মুছতে গিয়ে একটু সরে গেছে মনে হয়। হাতের সাথে সাথে সবুজ ওড়নাটাও জানলা দিয়ে ঝুলছে। কিন্তু ডাকছে কাকে? বাসস্টপে তো কেউ নেই। আমি ঘাড় ঘুড়িয়ে সামনে পিছনে দেখলাম, না কেউ নেই। তাহলে কি আমাকে ডাকছে? কিন্তু আমার নাম ত বাবলু না, আর কস্মিনকালেও মেয়েটিকে আমি দেখেছি বলে মনে হয় না। আমি আবার বাসটার দিকে তাকালাম। বাসটা ইতিমধ্যে খানিকটা এগিয়ে গেছে। মেয়েটি একই ভাবে জানলা দিয়ে মু...
অহল্যা
অহল্যা - প্রণব রায়চৌধুরী 1. বয়ঃসন্ধি হতে না হতেই স্বচ্ছ সরোবরে ফুটে ওঠা পদ্মের মতো নিষ্পাপ লাবণ্যস্বরূপ ত্রুটিবিহীন শোভা প্রতিম তরুণীটির মাল্য বিনিময় হয়ে গেলো এমন একজন বৃদ্ধের সাথে, যিনি মহাজ্ঞানী, ত্রিকালদর্শী মানব শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিখ্যাত ǀ যিনি মেয়েটির শৈশব থেকে নিয়ে তার রজো দর্শনারম্ভ অবধী তত্ত্বাবধান কার্যটি অতি নিষ্ঠার সাথে সমাপন করে অতিরিক্ত প্রীতির পাত্র হয়ে উঠেছিলেন মেয়েটির সৃষ্টিকর্তা পিতার ǀ পুরস্কার স্বরূপ অবিরল সৌন্দর্য্যের অধিকারিণী তন্বীর পানি প্রাপ্তি ǀ বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা ! এ ব্যাপারে বিবাহযোগ্যা কন্যাটির সম্মতির প্রয়োজনটুকু পর্যন্ত জরুরি মনে করেন নি সেদিন কেউ ǀ শুধু তাই নয়, সদ্য বিকসিত যৌবনের কৌতূহলে সখীদের কাছে শোনা স্বামী সন্নিধানে একান্তে নব পরিণীতা বধূর কি কি ধরণের সুখ প্রাপ্তি হয়ে থাকে সেই ঔৎসুক্য নিব্বৃতির প্রত্যাশা প্রত্যাখ্যান হতে থাকে বার বার ǀ আজ কন্যা রজঃস্বলা তো কাল স্বামীর ব্রত পালন ǀ পরের দিন গ্রহ সন্নিবেশ প্রতিকূল নয়! এমনি ভাবে দিনপাত হতে হতে পরিশেষে ভবিতব্য মেয়েটির জীবনে অবিলম্বে ঘনিয়ে আনলো এক নিদারুন পরিণাম - প্রেমিকের বেশে, বিবাহ বহির্ভূত পুরুষ...