Posts
- Get link
- X
- Other Apps
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
- Get link
- X
- Other Apps
সমুদ্রের জল কী একটি মিশ্র পদার্থ ??সমুদ্রের জলের উপাদান সংকেত ..2.জল কেন এবং কিভাবে ভয়ানক বিদ্যুৎ পরিবাহী? 3.সমুদ্রের জল লবণাক্ত হয় কেন? এবং নদীতে সেই একই জল মিঠা হয় কেন?4.প্রতি সেকেন্ডে 10 লিটার জল 10 মিটার উপরে তােলার জন্য অন্তত কত ক্ষমতার পাম্প দরকার?
সমুদ্রের জল কী একটি মিশ্র পদার্থ ??সমুদ্রের জলের উপাদান সংকেত ..2.জল কেন এবং কিভাবে ভয়ানক বিদ্যুৎ পরিবাহী? 3.সমুদ্রের জল লবণাক্ত হয় কেন? এবং নদীতে সেই একই জল মিঠা হয় কেন?4.প্রতি সেকেন্ডে 10 লিটার জল 10 মিটার উপরে তােলার জন্য অন্তত কত ক্ষমতার পাম্প দরকার?
- Get link
- X
- Other Apps
Science
Popular Posts
1.দুইটি পরমাণুর ভর সংখ্যা একই হলেও, নিউট্রন সংখ্যা কম হয় কেন? নিউট্রন কেন আধান নিরপেক্ষ?
1. দুইটি পরমাণুর ভর সংখ্যা একই হলেও, নিউট্রন সংখ্যা আলাদা হয় কেন? কোন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যার ওপর নির্ভর করে পরমাণুর পরিচয়। যদি পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা পরিবর্তিত হয় তবে পরমাণু টি অন্য কোনো মৌল তে পরিবর্তিত হয়। প্রোটন সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক পর্যায় সারণী তৈরি করা হয়েছে। পরমাণুর ভরসংখ্যা হলো পরমাণুর নিক্লিয়াসে থাকা প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল। দুটি আলাদা মৌলের প্রোটন সংখ্যা আলাদা। তাই তাদের ভরসংখ্যা এক হলে নিউট্রন সংখ্যা কমবেশি/আলাদা হবে। ধরি দুটি মৌল A ও B A এর প্রোটন সংখ্যা=x B এর প্রোটন সংখ্যা=y A ও B উভয়ের ভরসংখা= p সুতরাং, A পরমাণুতে মোট নিউট্রন আছে=(p-x) টি। B পরমাণুতে মোট নিউট্রন আছে=(p-y) টি। যেহেতু, x এবং y সমান নয় তাই , (p-x) এবং (p-y) ও সমান হবে না।অর্থাৎ নিউট্রন সংখ্যা সমান হবে না। 2. নিউট্রন কেন আধান নিরপেক্ষ? ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী স্যার জেমস চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আবিষ্কার হওয়ার পর সবাই মনে করেছিল এরাই সেই কাঙ্ক্ষিত মৌলিক কণিকা। কিন্তু ১৯৬৪ সালে বিজ্ঞানী মারে গ্যালমেন বললেন .” বিশ্ববাসী আপনারা ...
অহল্যা
অহল্যা - প্রণব রায়চৌধুরী 1. বয়ঃসন্ধি হতে না হতেই স্বচ্ছ সরোবরে ফুটে ওঠা পদ্মের মতো নিষ্পাপ লাবণ্যস্বরূপ ত্রুটিবিহীন শোভা প্রতিম তরুণীটির মাল্য বিনিময় হয়ে গেলো এমন একজন বৃদ্ধের সাথে, যিনি মহাজ্ঞানী, ত্রিকালদর্শী মানব শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিখ্যাত ǀ যিনি মেয়েটির শৈশব থেকে নিয়ে তার রজো দর্শনারম্ভ অবধী তত্ত্বাবধান কার্যটি অতি নিষ্ঠার সাথে সমাপন করে অতিরিক্ত প্রীতির পাত্র হয়ে উঠেছিলেন মেয়েটির সৃষ্টিকর্তা পিতার ǀ পুরস্কার স্বরূপ অবিরল সৌন্দর্য্যের অধিকারিণী তন্বীর পানি প্রাপ্তি ǀ বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা ! এ ব্যাপারে বিবাহযোগ্যা কন্যাটির সম্মতির প্রয়োজনটুকু পর্যন্ত জরুরি মনে করেন নি সেদিন কেউ ǀ শুধু তাই নয়, সদ্য বিকসিত যৌবনের কৌতূহলে সখীদের কাছে শোনা স্বামী সন্নিধানে একান্তে নব পরিণীতা বধূর কি কি ধরণের সুখ প্রাপ্তি হয়ে থাকে সেই ঔৎসুক্য নিব্বৃতির প্রত্যাশা প্রত্যাখ্যান হতে থাকে বার বার ǀ আজ কন্যা রজঃস্বলা তো কাল স্বামীর ব্রত পালন ǀ পরের দিন গ্রহ সন্নিবেশ প্রতিকূল নয়! এমনি ভাবে দিনপাত হতে হতে পরিশেষে ভবিতব্য মেয়েটির জীবনে অবিলম্বে ঘনিয়ে আনলো এক নিদারুন পরিণাম - প্রেমিকের বেশে, বিবাহ বহির্ভূত পুরুষ...
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
ইঞ্জিনিয়ারিং
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া আর ইঞ্জিনিয়ার এই দুটো শব্দের মধ্যে আকাশ জমিন পার্থক্য। ইঞ্জিনিয়ারিং যদি হয় কল্পনার জগৎ,আর ইঞ্জিনিয়ার হল কঠোর বাস্তব।ইঞ্জিনিয়ারিং যদি হয় মায়ের পেটে ১০ মাস ১০ দিন থাকা ভ্রূণ আর ইঞ্জিনিয়ার হল বাচ্চা। যে ছেলে টা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কালীন সকাল ১০ টায় ঘুম থেকে উঠতো,তাকে এখন সকাল সাড়ে ছয়টায় ঘুম থেকে উঠে ৮ টায় ডিউটি join করতে হয়।যে ছেলে টা টানা ২ ঘণ্টার বেশি ক্লাস করতে পারতো না সে এখন দিনে ১২ ঘণ্টা ডিউটি করে।যে ছেলে টা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কালীন অকারণে ক্লাস bunk করত,তাকে এখন একটা ছুটি নিতে গেলে বসের পিছনে তিন দিন ঘুরতে হয়।যে ছেলে টা স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ঘর ছেড়েছিল,তার এখন ঘরে ফিরে টাই স্বপ্ন হয়ে গেছে। যে ছেলে টা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াকালীন চোথা ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করতে পারতো না,সে এখন কর্মক্ষেত্রের বড় বড় প্রবলেম solve করে।যে ছেলে টা আগে ইংলিশ এ কথা বলতে গিয়ে তদলাতো,বলতে পারতো না।সে এখন ফটর ফটোর করে ইংলিশে কথা বলে। যে ছেলে ইঞ্চিনিয়ারিং পড়া কালীন বাড়ির প্রতি টা occasion এ বাড়ি যেতো,এখন তার লাইফে occasion বলে কিছু নেই।ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কালীন বন্ধু বান্ধব দের ...
ফেরা
#গল্পঅল্প ফেরা আজ অফিস থেকে বের হতে অনেক দেরী হয়ে গেল। এতক্ষণ খেয়াল করে নি, টেবিলের কাগজ গুলো গুছিয়ে রাখার পর ঘড়ির দিকে তাকাল সাত্যকি।ওরে বাবা, ১১ টা বেজে গেছে!অনেক রাত হয়ে গেল। কিছু অবশ্য করার ছিল না। পুরো টেন্ডারটা একবার ঝালিয়ে নেওয়ার ছিল, রেট ঠিক আছে কিনা, ব্যাকআপ গুলো একটু ক্রশ চেক করে নেওয়া। সব অবশ্য করেছে জয়ন্ত। বেশ গুছিয়েই কাজ করেছে। সেও ছিল খানিক আগে অবদি। কিন্তু ওকে যেতে হবে সেই সোনারপুর। তাই সাত্যকি ওকে চলে যেতে বলল। কাল ওকেই আবার তাড়াতাড়ি এসে সব গুছিয়ে নিয়ে, খাম আঁটকে জমা দিতে নিয়ে যেতে হবে। টেন্ডার টা পেয়ে গেলে অনেকদিনের টানা কাজ আসবে, প্রফিট ও ভালো থাকারই কথা। তাই একটু খুঁটিয়েই সব চেক করতে হচ্ছে। কাল ও আসতে পারবে না, সেক্রেটারি মিটিং ডেকেছেন সকালেই। কখন শেষ হবে কে জানে। যদি অনেকক্ষণ ধরে চলে তো তার আগেই জয়ন্ত কে টেন্ডার নিয়ে বেড়িয়ে যেতে হবে। যা দেখার আজই দেখে নিতে হবে। তা মোটামুটি সব প্রায় দেখা হয়ে গেছে।গত কয়েকদিন টানা ট্যুর ছিল, কাল রাতেই ফিরছে। ভালো ঘুম হয় নি। তারপর আজ এতক্ষন কাজ, টায়ার্ড লাগছে। কিছু করারও ছিল না। এখন সব কাজ শেষ। এবার বের হতে পারবে। বাড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে খে...