Posts
- Get link
- X
- Other Apps
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
- Get link
- X
- Other Apps
সমুদ্রের জল কী একটি মিশ্র পদার্থ ??সমুদ্রের জলের উপাদান সংকেত ..2.জল কেন এবং কিভাবে ভয়ানক বিদ্যুৎ পরিবাহী? 3.সমুদ্রের জল লবণাক্ত হয় কেন? এবং নদীতে সেই একই জল মিঠা হয় কেন?4.প্রতি সেকেন্ডে 10 লিটার জল 10 মিটার উপরে তােলার জন্য অন্তত কত ক্ষমতার পাম্প দরকার?
সমুদ্রের জল কী একটি মিশ্র পদার্থ ??সমুদ্রের জলের উপাদান সংকেত ..2.জল কেন এবং কিভাবে ভয়ানক বিদ্যুৎ পরিবাহী? 3.সমুদ্রের জল লবণাক্ত হয় কেন? এবং নদীতে সেই একই জল মিঠা হয় কেন?4.প্রতি সেকেন্ডে 10 লিটার জল 10 মিটার উপরে তােলার জন্য অন্তত কত ক্ষমতার পাম্প দরকার?
- Get link
- X
- Other Apps
Science
Popular Posts
জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
আমাদের রাজ্যের অন্যতম একটা বিষয় আমার খুবই ভালো লাগে। সেটা— ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হওয়া মানেই,সবার ধারণা প্রচুর টাকাপয়সার প্রয়োজন। অ্যাডমিশন ফি থেকে শুরু করে টিউশনফি সবই প্রায় আকাশ ছোয়া।যেমনটা NIT,IIT বা অন্যান্য কেন্দ্রীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বেসরকারী কলেজগুলোতে হয়ে থাকে। প্রতি বছর প্রায় লাখখানেক টাকা ছাত্ররা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে খরচ করে। কিন্তু আমাদের রাজ্য সরকার নিয়ন্ত্রিত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর পিছনে প্রতি বছর সর্বাধিক মাত্র ১৬-১৭ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। ফলে আমরা সাধারণ গরিব ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের যথেষ্ট সুবিধা হয়। আর শুনলে অবিশ্বাস্য মনে হলেও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ বছরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে সর্বমোট খরচ হয় ১০০০০-এরও কম। শুধু IT ব্রাঞ্চের একটু বেশি লাগে। আর আমাদের কলেজ মানে, জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এ core department এ বছরে গড়ে ১৪/১৫ হাজার টাকা দরকার হয় (থাকা-খাওয়া, বই কেনা বাদে).. (Special credit- Partha Protim Majùmdèr)
ইঞ্জিনিয়ারিং
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া আর ইঞ্জিনিয়ার এই দুটো শব্দের মধ্যে আকাশ জমিন পার্থক্য। ইঞ্জিনিয়ারিং যদি হয় কল্পনার জগৎ,আর ইঞ্জিনিয়ার হল কঠোর বাস্তব।ইঞ্জিনিয়ারিং যদি হয় মায়ের পেটে ১০ মাস ১০ দিন থাকা ভ্রূণ আর ইঞ্জিনিয়ার হল বাচ্চা। যে ছেলে টা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কালীন সকাল ১০ টায় ঘুম থেকে উঠতো,তাকে এখন সকাল সাড়ে ছয়টায় ঘুম থেকে উঠে ৮ টায় ডিউটি join করতে হয়।যে ছেলে টা টানা ২ ঘণ্টার বেশি ক্লাস করতে পারতো না সে এখন দিনে ১২ ঘণ্টা ডিউটি করে।যে ছেলে টা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কালীন অকারণে ক্লাস bunk করত,তাকে এখন একটা ছুটি নিতে গেলে বসের পিছনে তিন দিন ঘুরতে হয়।যে ছেলে টা স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ঘর ছেড়েছিল,তার এখন ঘরে ফিরে টাই স্বপ্ন হয়ে গেছে। যে ছেলে টা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াকালীন চোথা ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করতে পারতো না,সে এখন কর্মক্ষেত্রের বড় বড় প্রবলেম solve করে।যে ছেলে টা আগে ইংলিশ এ কথা বলতে গিয়ে তদলাতো,বলতে পারতো না।সে এখন ফটর ফটোর করে ইংলিশে কথা বলে। যে ছেলে ইঞ্চিনিয়ারিং পড়া কালীন বাড়ির প্রতি টা occasion এ বাড়ি যেতো,এখন তার লাইফে occasion বলে কিছু নেই।ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া কালীন বন্ধু বান্ধব দের ...
বাংলার তুল্য শ্রুতিমধুর আর কোন ভাষা!
সেদিন একজন ব্যক্তি বলে ফেললেন বাংলা কি প্রাচীন যে একে শিক্ষানীতিতে রাখতে হবে। একটু দেখে নেওয়া যাক ঃ- ১) হিন্দীর উদ্ভব বিগত সহস্রাব্দের প্রথম দিকে।শৌরসেনী প্রাকৃত থেকে।পৃথ্বীরাজ রাসো বা ঢোলা মারুর সুন্দর ভাষা কে হিন্দী বলে ধরা হয়।পরবর্তীতে পারসিক বা আরবী থেকে অনেক শব্দ এসেছে হিন্দীতে।খারিবোলি (দিল্লির হিন্দী উপভাষা)কে মানক হিসেবে ধরলে হিন্দীর বয়স আট শো বছর। ২)এবার দেখা যাক ক্লাসিকাল ভাষা হিসেবে স্বীকৃত ওড়িয়ার উদ্ভব।দ্বাদশ শতাব্দীর মাদলা পঞ্জী (প্রভুর মন্দিরের প্রণম্য গ্রন্থ) ওড়িয়া গদ্যের নিদর্শন বহন করে।সবচেয়ে পুরনো ওড়িয়া লিপির সন্ধান পাওয়া যায় প্রায় ১২৪৯ খ্রীস্টাব্দের কাছাকাছি।ওড়িয়া লিপি এসেছে গৌড় লিপি থেকে। ৩)বাংলা ভাষার উতপত্তি মাগধি প্রাকৃত থেকে।চর্যাপদ কে যদি ধরা হয় বাংলার প্রথম চিহ্ন তাহলে এর প্রাচীনতা হাজার বছরের বেশী। ৪) ভারতের ২২ টা শিডিউলড ভাষা র মধ্যে হিন্দী র পরে সবচেয়ে বেশী লোক বাংলায় কথা বলেন। ৫)ভারতের সাহিত্যে নোবেল একমাত্র বাংলার জন্য এসেছে।তবু বাংলা নিয়ে বাংলা চ্যানেলে বাংলার বুকে বসে মিথ্যাচার করার সাহস পায় লোকে। All languages are beautiful but Bengali has overdue to ...
আমার মৃত্যুর পরে তোমাকে কিছু কাজ করতে হবে।
লিখে রাখছি...সজ্ঞানে। আমার মৃত্যুর পরে তোমাকে কিছু কাজ করতে হবে। ভালো করে খুঁজে দেখে নিয়ে তালা বিহীন ঘর, প্রতিটি জিনিস বিলিয়ে দেবে যেমন লিখছি ঠিক সেভাবে। খাটের নীচে যে স্বপ্নেরা শুয়ে আছে তাদের জাগিয়ে তুলো সেই মেয়েদের বুকে যারা, রান্নাঘর থেকে বিছানার যাত্রাপথে, ভুলে গেছে স্বপ্ন দেখতে। টেবিলের ওপর কিছু রং রয়েছে, ছড়িয়ে দিও বিধবাটির সাদা থানে সীমান্তে যার প্রিয়তম শহীদ হলো কালো রাতে। মান সন্মান যা আছে দেরাজে তা দিয়ে দিও বেশ্যাটিকে যে তার ছেলের পড়ার খরচ চালায় নিজের শরীর বেচে। শান্তি কিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, পারবে একটু পৌঁছে দিতে বৃদ্ধাশ্রমে? যেখানে এমন কিছু বাবা-মা আছে যাদের ছেলেরা হারিয়ে গেছে অনেক টাকার দেশে। ছোট্ট শিশি ভরে রাখা চোখের জলে, পৌঁছে দিও নুতন কোন কবির কাছে। প্রতি ফোঁটায় এক কবিতা জন্ম নেবে বেদনার জঠর থেকে, কলম বেয়ে । আক্রোশ ভরা পুঁটলিটা আছে ঝুল ঝারনির পিছে। যুবক রক্তে দিও তা মিশিয়ে বিপ্লব এলে লাগবে কাজে। বাক্সতে রাখা যত পাগলামী ভরিয়ে তুলবে বাউলের ঝুলি ঘর ছেড়ে দিয়ে যাবে পথে পথে আপনজনের তালাশে। বাকি পড়ে থাকা ক্রোধ ও ঈর্ষা, ল...
দুর্গাপুজোর সঙ্গে মহালয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
- ও দাদা, নমস্কার, শুভ মহালয়া। - মানে! - মানে আবার কি, পুজো শুরু হয়েগেল তাই বললাম। - মানে! - দূর মশাই, এর আবার মানে মানে কি? - মানে, জানতে চাইছি, মহালয়ার সঙ্গে পুজোর কী সম্পর্ক? - এ তো আচ্ছা ক্ষ্যাপা লোক! মহালয়া মানেই তো দেবীর আগমনের শুরু। পুজো শুরু। এই যে দেখুন মা দুর্গার মুখের ছবি দিয়ে 'শুভ মহালয়া' লিখে কত ছবি। - শুনুন, মহালয়ার সঙ্গে দুর্গাপুজোর আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। যারা মা দুর্গা'র ছবির সঙ্গে 'মহালয়া' লিখছে তারা নিজেরাও জানেনা কত বড় ভুল করছে। - যাঃ শালা....! বলে কি, এতো সবজান্তা গামছাওলা দেখছি। - সবজান্তা নই, তবে এটুকু জানি যে, দুর্গাপুজোর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। - বললেই হল নেই! সকালে রেডিও তে মহালয়া শোনেন না আপনি? - ওটা মহালয়া নয়। ওটা 'মহিষাসুরমর্দিনী' নামের একটি অনুষ্ঠান। এর সঙ্গেও মহালয়া'র কোনো সম্পর্ক নেই। এই দিনে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হয়, এই পর্যন্তই। - তালে মহালয়া টা ঘোড়ার ডিম কী, খায়, না মাখে? - মহালয়া কথাটি এসেছে 'মহত্ আলয়' থেকে। হিন্দু ধর্মে মনে করা হয় যে পিতৃপুরুষেরা এই সময়ে পরলোক থেকে ইহলোকে আসেন জল ও পি...
অহল্যা
অহল্যা - প্রণব রায়চৌধুরী 1. বয়ঃসন্ধি হতে না হতেই স্বচ্ছ সরোবরে ফুটে ওঠা পদ্মের মতো নিষ্পাপ লাবণ্যস্বরূপ ত্রুটিবিহীন শোভা প্রতিম তরুণীটির মাল্য বিনিময় হয়ে গেলো এমন একজন বৃদ্ধের সাথে, যিনি মহাজ্ঞানী, ত্রিকালদর্শী মানব শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিখ্যাত ǀ যিনি মেয়েটির শৈশব থেকে নিয়ে তার রজো দর্শনারম্ভ অবধী তত্ত্বাবধান কার্যটি অতি নিষ্ঠার সাথে সমাপন করে অতিরিক্ত প্রীতির পাত্র হয়ে উঠেছিলেন মেয়েটির সৃষ্টিকর্তা পিতার ǀ পুরস্কার স্বরূপ অবিরল সৌন্দর্য্যের অধিকারিণী তন্বীর পানি প্রাপ্তি ǀ বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা ! এ ব্যাপারে বিবাহযোগ্যা কন্যাটির সম্মতির প্রয়োজনটুকু পর্যন্ত জরুরি মনে করেন নি সেদিন কেউ ǀ শুধু তাই নয়, সদ্য বিকসিত যৌবনের কৌতূহলে সখীদের কাছে শোনা স্বামী সন্নিধানে একান্তে নব পরিণীতা বধূর কি কি ধরণের সুখ প্রাপ্তি হয়ে থাকে সেই ঔৎসুক্য নিব্বৃতির প্রত্যাশা প্রত্যাখ্যান হতে থাকে বার বার ǀ আজ কন্যা রজঃস্বলা তো কাল স্বামীর ব্রত পালন ǀ পরের দিন গ্রহ সন্নিবেশ প্রতিকূল নয়! এমনি ভাবে দিনপাত হতে হতে পরিশেষে ভবিতব্য মেয়েটির জীবনে অবিলম্বে ঘনিয়ে আনলো এক নিদারুন পরিণাম - প্রেমিকের বেশে, বিবাহ বহির্ভূত পুরুষ...
Engineers' day ❤️❤️❤️❤️❤️❤️
Nobody can imagine a day without an engineering innovation nowadays....The engineers work hard always for the progress of our civilisation...But they never expect the publicity, because engineers prefer to work silently ... Today is engineers' day So respect engineers for their contribution to our society... September 15 is celebrated every year in India as Engineer's Day to commemorate the birthday of the legendary engineer Sir M. Visvesvaraya (1861-1962). Internationally recognised for his genius in harnessing water resources, he was responsible for successful design and construction of several river dams, bridges and implementing irrigation and drinking water schemes all over India. Engineers' Day Quotation R. F. Toosky defined who an engineer is and I quote: "Engineers are: (a) not learned enough to be scientists, (b) not skillful enough to be craftsmen and (c) not clever enough to be managers. They are needed in every company to be blamed for (i) shortcomings of...
আমি তোমাকে ভালোবাসি
আমি তোমাকে ভালোবাসি I love you ময় তোমাক ভাল পাও (অসমীয়া) তামিল = নান উন্নাই কাটালিক্কিরেন নেপালি = মা তিমিলাই মায়া গারছু তুর্কি = সেনি সেভিউরম ফার্সি = দুস্তাত দারাম Je t'aime (ফ্রেঞ্চ) Ich liebe dich (জার্মান) Te amo (ল্যাটিন) Ti amo (ইতালিয়ান) Wo ai ni (চাইনিজ/মান্দারিন) Salanghae (কোরিয়ান) Mai tumse pyar karta hu (হিন্দি) Hum tane prema karum chu (গুজরাটি) Nan ninne snehikkunnu (মালায়লাম) পাঞ্জাবী— মেয় তাতনু পেয়ার কারতা ফিলিপাইন = ইনি বিগকিটা বুলগেরিয়া = অবি চামতে আলবেনিয়া = তে দাসরোজ গ্রিক = সাইয়াগাফু ইরানি = মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ। রাখাইন =অ্যাঁই সাঁইতে। ক্যাম্বোডিয়ান=বোন স্রো লানহ্উন।
1.কখনো কখনো সরণ শুন্য হলেও কখনো দুরুত্ব শূন্য হতে পারেনা, 2.কোনো বস্তুর ত্বরণ শূন্য হলেও, বেগ থাকতে পারে কি? 3.কোনো বস্তুর ভরবেগ 10 kg m/s বলতে কী বোঝায় ?
ফ্যাক্টরিয়াল কেন করা হয়? ঋণাত্মক সংখ্যার ফ্যাক্টরিয়াল কেন হয় না?
ফ্যাক্টোরিয়াল হলো একটি গাণিতিক অপারেশন। যেখানে কোন স্বাভাবিক সংখ্যাকে factorial করলে, ওই সংখ্যাটিকে তার ঠিক পরবর্তী নিম্নমানের অশুন্য স্বাভাবিক সংখ্যা দিয়ে গুন করে যাওয়া হয়। যেমন, n!=n*(n-1)*(n-2)*(n-3)*…..3*2*1 অর্থাৎ, 4!= 4*3*2*1=24 এখন ঋণাত্বক সংখ্যাকে যদি factorial করি তবে সংজ্ঞা অনুযায়ী, -1!=( -1)*(-2)*(-3)*(-4)*(-5)*(-6)*(-7)*……… চলতেই থাকবে অসীম পর্যন্ত। তাই ঋণাত্বক সংখ্যাকে factorial করা যায় না। এছাড়াও, কোথাও থাকা কতগুলো বস্তুকে আমরা ঠিক কত রকম ভাবে সাজাতে পারি সেটা বের করার জন্য factorial এর উদ্ভব। যেমন, A,B,C তিনটি বস্তু আছে এবং এদের একটা পাত্র থেকে নিচে নামতে হবে। এখন আমরা ঠিক কত ভাবে নামাত পারি? ABC, ACB, BCA, BAC, CAB, CBA….. এখন তত্ব, প্রথমে আমরা তিনটার মধ্যে যেকোনো একটা নামাতে পারি। তারমানে আমরা প্রথম বস্তুটি ঠিক তিনভাবে নামাতে পারি। এরপর বাকি থাকে দুটি বস্তু তাই এর মধ্যে যেকোনো একটা আমরা দ্বিতীয় বার নামাতে পারি। তার মানে আমরা 2 ভাবে দ্বিতীয় বস্তুটি নামাতে পারি। এবং শেষের বস্তুটি 1 ভাবেই নামাতে পারি। এখন প্রথমে কোন বস্তুটি নামাবো তার ওপর নির্ভর করে পরের ব...