সৌদি বাদশা আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ, ব্যাক্তিগত সম্পদ ১৭ বিলিয়ন ডলার। মেয়ের বিয়েতে উপহার দিয়েছেন খাঁটি সোনার টয়লেট। মেয়ে আমার বাকি জীবন সুখে শান্তিতে পায়খানা করুক । বিয়ে তো আর দশবার হবে না, তাই ওয়েডিং গাউন দিয়েছেন ৩ মিলিয়ন ডলারের। বাবা বা ছেলে, কেউ কারো থেকে কম না। যুবরাজ কিম কারদাশিয়ানের সাথে রাত কাটানোর জন্য ব্যয় করেন ১ মিলিয়ন ডলার। সো এক্সপেন্সিভ ফাকিং নাইট। আরেক যুবরাজ দুবাই নাইট ক্লাবে নগ্ন মেয়েদের বুকের উপর ছিটিয়ে দেন ১.৫ মিলিয়ন ডলার। আমাদের দেশের আলেম-ওলামারা কি এসব জানেন? কি সৌদি রাজা তো আরেক কাঠি সরেস। ফ্রান্সের বিচ ও ফাঁকা করে দিতে হয় তার জন্য। আরেক যুবরাজ আল ওয়ালিদ বিন তালাত, ব্যাক্তিগত সম্পদ ৩৩ বিলিয়ন ডলার। বউ আমেরিকান জিউ। ৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনেছেন ডায়ামন্ড খচিত মারসিডিজ। আকাশে উড়বেন সোনা না থাকলে কি চলে? ৫০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে কিনেছেন ব্যাক্তিগত সোনার বোয়িং AA -330 । উনাদের কেচ্ছা কাহিনী বলতে গেলে শেষ হবেনা। এখন প্রশ্ন হইল এতো টাকা উনারা কোথা থেকে পান? সবই কি তেল বা সোনা বেচা টাকা? বিশ্বের ৫০ লাখ হাজি প্রতি বছর হজ্ব করার জন্য সৌদি সরকারকে দেয় প্রায় ২০-২৫ বিলিয়ন ডলার। সোনার টয়লেট, হিরের গাড়ি, সোনার বিমান, কিমকারদাশিয়ান এখন আসে কোথা থেকে আসে নিশ্চয় বুঝেছেন?
আরবদের চরম সেচ্ছাচারিতার মধ্যে সিরিয়ান শিশুরা ভেসে ওঠে ইউরোপের বিচে। খাবারের জন্য লাইন ধরতে হয় হাঙ্গেরী বা অষ্ট্রিয়ার শরণার্থী শিবিরে। একটু আশ্রয়ের জন্য হাত পাততে হয় জার্মানির কাছে, যখন সৌদি সরকার ১০বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কেনার ঘোষণা দেয়। যখন সার্বিয়ার রাস্তায় সিরিয়ান শিশু খাবারের অভাবে মারা যায় তখন ইংল্যান্ডের ঘোড়ার দৌড়ে তারা এক রাতে বাজি খেলে মিলিয়ন ডলার।
হে সিরিয়ান শিশু, তুমি যখন মৃত্যুর আগ মুহূর্তে ভূমধ্যসাগরের লবনাক্ত জল গিলছিলে, তখন তোমার প্রভু সৌদি প্রিন্সকে নিয়ে হলিউডের অর্ধনগ্ন নায়িকার সাথে রক্তিম মদ ভর্তি সরু গেলাসের কোমর ধরে চিয়ার্স করছিল। তুমি যেখানেই থাকো, ভালো থেকো।
- লিখেছেন Sohana Rahman
Comments
Post a Comment
Thank you, Stay connected & subscribe to this blog...