সিভিল_সার্ভিস_দিবস 21st April


তিনি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় সন্তান। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করার পরে তাঁর বিবাহ হয় মাত্র ১৭ বছর বয়সে। জ্ঞানদানন্দিনী দেবীর সাথে। এর ৩ বছর পরে ১৮৬২ খ্রীষ্টাব্দে বন্ধু মনমোহন ঘোষের সাথে জাহাজে চেপে পাড়ি দেন ইংল্যান্ড। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার উদ্দেশ্যে। তখন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার #সিট পড়ত ইংল্যাণ্ডেই। মাত্র ২১ বছর বয়সে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হন। প্রোবেশন পিরিওড শেষ করে তার প্রথম পোষ্টিং হয় বোম্বে প্রেসিডেন্সি তে। তিনি #সত্যেন্দ্রনাথ_ঠাকুর। প্রথম ভারতীয় হিসাবে সিভিল সার্ভিস হওয়ার কৃতিত্ব তার। এক বাঙালির।

শুধু তিনিই একমাত্র বাঙালী নন। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসাবেও সিভিল সার্ভেন্ট হওয়ার কৃতিত্ব আরেক বাঙালির।। শ্রদ্ধেয় এই বাঙালির নাম #রমেশচন্দ্র_দত্ত। ইকনমিক ন্যাশানালিজমের জনক বলে আমরা যাকে চিনি।

কিন্তু তিনি তো ইংল্যাণ্ডে একা আসেননি। সাথে আরও দুজন বন্ধুও ছিলেন। তৃতীয় জন হলেন #বিহারীলাল_দত্ত। তিনিও একইসাথে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন৷ চতুর্থজন আমাদের সকলের পরিচিত এবং অত্যন্ত শ্রদ্ধেয়। #শ্রী_সুরেন্দ্রনাথ_বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮০ সালে শ্রী #নির্মল_মুখোপাধ্যায় ক্যাবিনেট সচিবের পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরে একটা যুগের অবসান ঘটে কারণ তিনিই ছিলেন ব্রিটিশ ভারতে নিযুক্ত শেষ ব্যাচের আই সি এস অফিসার। ব্রিটিশ ভারতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বাঙালীদের উজ্জ্বল অবস্থান উপরোক্ত কয়েকটা উদাহরণের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়।

 সকল সিভিল সার্ভিস অফিসারদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল।

Comments

Science

Popular Posts